চুপ থাকাও এক শক্তি: সমাজে অন্তর্মুখীদের প্রকৃত মূল্য
একটা পারিবারিক আড্ডা, সবাই হাসছে, কথা বলছে, মতামত দিচ্ছে। আপনি শুধু চুপচাপ বসে ছিলেন, চারপাশটা দেখছিলেন । হঠাৎ কেউ ঠাট্টা করে বলল, “তুমি তো সবসময় চুপ, কিছু বলছ না! এত নীরব কেন?” সবাই হেসে উঠল। আপনিও ওদের সঙ্গে হাসলেন, কিন্তু ভিতরে কোথাও একটা হালকা ব্যথা অনুভব করলেন। সত্যিই কি চুপ থাকা মানে কিছু না জানার বা দুর্বল হওয়ার প্রতীক? আমাদের সমাজে এমনটা প্রায়ই হয়। যেই মানুষটা বেশি কথা বলে- তাকে মনে করা হয় আত্মবিশ্বাসী, মেধাবী, নেতৃত্ব দিতে সক্ষম। আর যে মানুষটা চুপ থাকে, মন দিয়ে শুনে কথা বলার আগে ভাবনা চিন্তা করে - তাকে বোঝা হয় দুর্বল বা সামাজিকভাবে অনুদার। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবেছি? একজন মানুষ চুপ থেকে হয়তো তার চারপাশের সবকিছু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তার আবেগগুলো নিজের ভেতরে গুছিয়ে রাখছে, কিংবা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষায় আছে? অনেক সময়, চুপ থাকা মানে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। একেকটি মুহূর্তে আবেগ মাথায় উঠে আসলেও একজন অন্তর্মুখী মানুষ নিজের মধ্যে তা সামলে নেয়, বাইরে প্রকাশ না করে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করে চলে। সেটাই কি দুর্বলতা? না- বরং এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী একরকম আত্মনি...